Apr 27, 2019

যুদ্ধ জাহাজ সংগ্রাম ও প্রত্যাশা চট্টগ্রামের নৌঘাঁটিতে পৌঁছেছে

27!04/19/07:53pm

বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর জন্য চীন থেকে আনা যুদ্ধ জাহাজ সংগ্রাম ও প্রত্যাশা চট্টগ্রামের নৌঘাঁটিতে এসে পৌঁছেছে। টানা ১৫ দিন দীর্ঘ সাগরপথ পাড়ি দিয়ে শনিবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রাম এসে পৌঁছায় জাহাজ দু'টি। আনন্দ আয়োজনের মধ্য দিয়ে নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জাহাজ দু'টি গ্রহণ করেন।নৌবাহিনীর বাদক দলের মূর্ছনা এবং নৌ কর্মকর্তাদের অভিবাদনের মধ্য দিয়ে জাহাজ দু'টি আনুষ্ঠানিক নোঙর করে বিএনএস ঈশা খাঁ নৌঘাঁটিতে। মিয়ানমার এবং ভারতের কাছ থেকে বিশাল সমুদ্র সীমা জয়ের পর থেকে শুরু হয় নৌবাহিনীর জন্য অত্যাধুনিক যুদ্ধ জাহাজ সংগ্রহ।
এরই অংশ হিসাবে ২০১৫ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সরকারের সাথে চীনের একটি প্রতিষ্ঠানের চুক্তি হয়। চলতি বছরের ২৮ মার্চ জাহাজ দু'টি বুঝে পাওয়ার পর ১২ এপ্রিল চীনের সাংহাই বন্দর থেকে জাহাজ দু'টি ছেড়ে আসে।
চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল এডমিরাল এর কমান্ডার আবু আশরাফ বলেন, সমুদ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সমুদ্রে অন্য জাহাজকে সহায়তা প্রদানে, একই সাথে সমুদ্র এলাকায় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এই জাহাজটি আমাদের নিশ্চিত করবে।
৯০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ১১ মিটার প্রস্থ জাহাজগুলো ঘণ্টায় ২৫ নটিক্যাল মাইলে ছুটতে পারে। জাহাজ দু'টি শত্রু বিমান, জাহাজ এবং স্থাপনায় আঘাত হানতে সক্ষম আধুনিক কামান, ভূমি থেকে আকাশে উৎক্ষেপ যোগ্য মিসাইল, থ্রি ডি রাডার এবং যুদ্ধ সরঞ্জামে সজ্জিত।
বিএনএস প্রত্যাশার কমান্ডার আবুল কালাম আজাদ বলেন, অত্যাধুনিক যুদ্ধসরঞ্জাম সুবিধাসম্পন্ন এই জাহাজে। এই জাহাজের যন্ত্রাংশও খুবই আধুনিক।
বিএনএস সংগ্রামের অধিনায়ক ক্যাপ্টেন সাজ্জাদ বলেন, এতে দুটি অত্যাধুনিক গান আছে যার দ্বারা আমরা আমাদের দিকে ধেয়ে আসা মিসাইলও ভূপাতিত করতে সক্ষম হব।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আনুষ্ঠানিকভাবে জাহাজ দু'টি নৌবাহিনীতে কমিশনিং করার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ নৌবাহিনী ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে অনেক আগেই রূপান্তরিত হয়েছে। এই বাহিনীতে সাবমেরিনের পাশাপাশি এয়ারক্রাফটও রয়েছে। সমুদ্রসীমা জয়ের পর সেটাকে সুরক্ষিত রাখার জন্য বর্তমান সরকার বেশ কিছু যুদ্ধজাহাজ ক্রয় করছে চীন থেকে। সেই ধারায়ই আজ দুটো যুদ্ধজাহাজ চট্টগ্রাম নৌঘাটিতে এসে উপস্থিত হয়েছে।

No comments:

Post a Comment